পৃষ্ঠাসমূহ

বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৪

রায়পুরা উপজেলা হাট-বাজারের তালিকাঃ

রায়পুরা উপজেলা হাট-বাজার এর বর্নণা

-ঃহাট/বাজারের তালিকাঃ-

ক্রমিক নং
ইউনিয়নের নাম
হাট-বাজারের নাম
1.

হাইরমারা
মনিপুরা
2. 

উত্তর বাখরনগর
শিবপুর হাট
3.
আদিয়াবাদ
রাধাগঞ্জ হাট
4.
মুছাপুর
তালুককান্দি হাট
5.
আমীরগঞ্জ
হাসনাবাদ হাট
6.
মরজাল
মরজাল সমতা বাজার
7.
পাড়াতলী
পাড়াতলী হাট
8.
বাঁশগাড়ী
বাঁশগাড়ী হাট
9.
মহেশপুর
আলগী হাট
10.
চরসুবুদ্দি
চরসুবুদ্দি হাট

রায়পুরা’র ভাষা ও সংস্কৃতি

মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, কাঁকন ঘেরা রায়পুরা কৃষি ও তাঁতপ্রধান এলাকা। এখানকার জীবনধার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি প্রাচীন না হলেও প্রাচীন। একদিন প্রখ্যাত পুঁথিকার আবদুল করিম মুন্সী ও জমির আলী মিয়াও তাদের দল পয়ার ছন্দের মূর্ছনায় এলাকাকে করেছিল উদ্বেলিত ও উজ্জীবিত। প্রথিতযশা ভাষা বিজ্ঞান ও শিক্ষাবিদ ড. মনিরুজ্জামান, নজরুল ধারার কবি আজিজুল হাকিম এবং মোজাফ্ফর হোসাইন এই এলাকারই বরেণ্য সন্তান। যথাযথ অনুসন্ধান চালালে অবশ্যই তাঁদের পূর্বসূরী এবং উত্তর সূরী বহু ক্ষণজন্ম ব্যক্তিত্ব আঃ সবেন যারা এই এলাকার কৃষ্টি সংস্কৃতি তথা ভাষাকে অনেক বেগবান করেছিলেন এবং এখনো করছেন।



সাধক কবীল বলেছেন কবির ভাষা বহুতাদী। তার সাথে রবীন্দ্রনাথ যোগ করেছেন শীতলতা। তার সাথে আরও একটি শব্দ জনবিচ্ছিন্ন যোগ করলে নিশ্চয়ই ধৃষ্টতা হবে না। কেননা আমরা জানি এ জনবিচ্ছিন্নতার কারণে আজ সাধু ভাষা মৃত। আজকের চলিত ভাষাও অনেক হোচট খেয়ে খেয়ে কথ্য ভাষার উপর সওয়ার হয়ে এগিয়ে চলছে। বৃহত্তর বরেণ্য কথ্য ভাষা তেমন সরব না হলেও নিজ নিজ এলাকায় কিন্তু যথেষ্ট সরস প্রাণবন্ত।

প্রথমতঃ যেটি বিশেষভাবে লক্ষনীয় তা হল র এর পরিবর্তে ল এর ব্যবহার। প্রায় সর্বত্র তারা ল এর পরিবর্তে ল ব্যবহার করছে। যেমন: রাজা হলে- লাজা, রায়পুরা কে - লাইপুরা। ক্রিয়াপদ সমূহে অ পরিবর্তিত হয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে উ-তে পরিণত হয়ে। স শ হ ধ্বনিতে পরিণত হওয়ার প্রবণতা ও লক্ষ্য করা যায়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে আর্যগত বাংলাকে বলত চন্ডালের দেশ এবং এ লাকায় কোন আর্যপুত্র আগমন করলে তাকে রিতীমত প্রায়শ্চিত্ত করে সমাজে স্থান নিতে হতো। আর্যদের দৃষ্টিতে তথাকথিত নিচু জাতের মানুষের দ্বারা এই এলাকা আবাদ হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্ম মূলত সে সকল নিচু জাতের মানুষকে প্রভাবান্বিত করেছিল। বৌদ্ধ ভিক্ষুগণ ধর্ম প্রচারে মাগধী প্রাকৃত ব্যবহার করত। তাই নিশ্চিত ভাবে বলা যায় ল আধিক্য সে ভাষারই প্রভাব।



ভাষা নদীর মত বহমান। পরিবর্তনশীল তার শব্দমালা বা ধ্বনি সমষ্টি। একটি নির্দিষ্ট ধ্বনি যখন কোন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করে তা তখন অঞ্চল ভিত্তিক বা আঞ্চলিকতার প্রভাবে ভূষিত হয়। ক্রমে সে ডানা মেলতে চেষ্টা করে জাতীয় ভাষার অঙ্গনে। হয়তো পৌছেও যায়। অতি সম্প্রতি আমাদের সাহিত্য অঙ্গনে আঞ্চলিক ভাষার রমরমা অবস্থান তার প্রমাণ বহন করে। নিম্নে রায়পুরা ধ্বনি পরিবর্তনের একটি রূপরেখা তুলে ধরা হলো। কেননা পরিপূর্ন রূপরেখা তুলে ধরা দীর্ঘ সাধনাও শ্রমের ব্যপার যা প্রত্যাশা রইল আগামী প্রজন্মের কাছে। পরিবর্তীত ধ্বনি বিশুদ্ধ শব্দ আঞ্চলিক রূপ পরিবর্তীত ধ্বনিমালার প্রভাবে ক্রিয়া সর্বনাম বিশেষেণ ও পরবর্তিতে হচ্চে প্রতিনিয়ত। যার নমুনা। নীচে দেওয়া হল। ক্রিয়াপদ আঞ্চলিক রূপ কোন কোন ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদ দ্বিত্ত্ব ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন বলা কওয়া নাই তুমি কই চইল্লা গেলা। লক্ষণীয় যে উপরের উদাহরণে বিশুদ্ধ এবং আঞ্চলিক রূপসহ অবস্থান করছে (বলা কওয়া) সর্বনাম আঞ্চলিক রূপ বিশেষণ আঞ্চলিক রূপ। কোন কোন বিশেষণ পদের দ্বিত্ব প্রয়োগ দেখা যায়। সাধারণত বিশেষণের অবস্থাকে সুদৃঢ় করা এবং গতিশীল করার স্বার্থেই তা হয়ে থাকে।

যেমন, মিঠা >মিডা> মিড্ডা

নুনতা> কডা> কড্ডা

টক> চুকা> চুক্কা

একই কারণে দুটি পাশাপাশি বিশেষণ অবস্থান নিতেও দেখা যায়। এতে বড় ডাঙ্গর হইয়াছে আর এইডা বুজ না? এখানে বড় এবং ডাঙ্গর সমার্থক শব্দ। কোন কোন বিশেষনে দীর্ঘ উচ্চারণেও একই উদ্দেশ্য কাজ করছে ( লাল> লা-লা) মাঝে মধ্যে এই শব্দটিতে উপসর্গের ধাঁচে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। অল্প > দুগগা> এই দুগ্গা।

Courtesy By
( মোঃ মেহেদী হাসান ) ™

রায়পুরা ও মুক্তিযুদ্ধ

মুক্তিযুদ্ধে রায়পুরা :-------


আজন্ম লালিত মুক্তির স্বাদ ‘‘বন্ধনহীন মুক্ত স্বাধীন ’’ সেই সুপ্রিয় স্বাধীনতার অব্যবহিত দুই যুগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে যখন কোন ছেলে , তার মা , অথবা তার বাবার কণ্ঠে চিৎকার ধ্বনিত হয়ে উঠে , ভাত দাআজন্ম লালিত মুক্তির স্বাদ ‘‘বন্ধনহীন মুক্ত স্বাধীন ’’ সেই সুপ্রিয় স্বাধীনতার অব্যবহিত দুই যুগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে যখন কোন ছেলে , তার মা , অথবাতার বাবার কণ্ঠে চিৎকার ধ্বনিত হয়ে উঠে , ভাতও । কাপড় দাও । ইজ্জত বাঁচাও ! তখন স্বভাবতই স্বাধীনতার মানে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে ওঠে । প্রশ্ন জাগে , এর জন্যই কি দেশ স্বাধীন করেছিলাম ?

অতীত স্মৃতির পাতাগুলো উল্টাতে উল্টাতে মনে পড়ে গা শির শির করা ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর সব কথা ।সেই ’৫২ ’৬৯ ’৭০। কানে বাজে একাত্তরের ৭ ই র্মাচের জনাকীর্ণ রেসকার্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেক মুজিবুর রহমানের বজ্রকন্ঠ-‘ এবারের সংগ্রাম মুুক্তির সংগ্রাম , এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম ।’

শাসন, মোষণ আর বঞ্জনার ঘৃণিত কলঙ্গিত অধ্যায়কে লালসূর্য্য ও সবুজ তৃণ দিয়ে ঢেকে ফেলএত আগুন খেলার সোনার বাংলা হয়ে উঠলো অগ্নি উত্তাল । তরঙ্গ ধেয়ে চললো বাংলাদেশের এক প্রামত্ম থেকে অন্য প্রামেত্ম। ২৫ মে সার্চের কালো রাত্রি আঁধার মুক্ত করতে পতঙ্গের মতো ঝাঁপিয়ে পড়লো বীর বাঘা বাঙালী ; সমত্মান সমত্মতি আনলো ,সঞ্জিবনী সুধা ঢেলে দিলো কর্ণ কূহরে ।

বাংলাদেশের আবাল বৃদ্ধ বণিতা ঝাঁপিয়ে পড়লো হাহিনীর বিরম্নদ্ধে । বর্তমান নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার পশ্চিমাঞ্চলের সাহসী মানুষ গর্জে উঠলো । স্বাধীনতার অগ্নি সমত্মান রায়পুরাবাসীর প্রাণপ্রিয় স্বাধীনতা সংগ্রাম জঙ্গীরম্নপ ধারণ করলো । গেয়ে উঠলো গান -

‘জাগো অনশন বন্দী যত

জগতের লাঞ্ছিত ভাগ্যাহত

জাগো’’।

রায়পুরার দাসাল সমত্মানরা এতো বেশি সংখ্যায় ভারতের ট্রেনিং শিবিরে যায় যে ভারতীয়রা রায়পুরাকে একটি জেলা হিসেবে প্রায়শই ভুল করতে থাকে । যাহোক রায়ীপুরা থানার মুক্তিযুদ্ধ যারা পরিচালনা করেন তাঁরা হলেন এ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন ভুঞা ,  আলহাজ্ব গয়েছ আলী মাস্টার । গয়েছ আলী মাস্টার রায়পুরা থানা মুক্তিযোদ্ধাদের কামান্ডার ছিলেন । রায়পুরার আরেক কৃতি সমত্মান কর্নেল নূরম্নজ্জামান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার । বীরশ্রেষ্ঠ পস্নাইট লেঃ মতিউর রহমান ও অবদান সূর্যসমত্মান । এছাড়া রায়পুরার আরো অনেকে মুক্তিযুদ্ধে দুঃসাহসী অবদান রাখেন । রায়পুরা থানার বিভিন্ন স্থানে হানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যক্ষ যুদ্ধ হয়েছে । রায়পুরা

থানার যে সমসত্ম স্থানে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে এর বেশির ভাগই রায়পুরার পশ্চিম অঞ্চলে , হাটুু ভাঙ্গা, আমিরগঞ্জ , বাদুয়ারচর রেলসেতুর পাশে । মুক্তিযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে বাদুয়ার চর রেলসেতু মুক্তিযোদ্ধারা মাইনের সাহায্যে উড়িয়ে দেয়। এতে পাক বাহিনী মারাত্মক বাধার সস্মুখীন হয় । এর কিছুদিন পর রামনগর রেলসেতুও মুক্তিবাহিনী মাইনের সাহায্যে উড়িয়ে দেয় । হাঁটুভাঙ্গা বর্তমানে রেলস্টেশনের নিকট পাবাহিনীর সঙ্গে মুক্তবাহিনীর জোয়ানদের সামানাসামনি যুদ্ধ বাঁধে ।এতে পাক বাহিনী টিকতে না পেরে হেরে যায় । এই যুদ্ধে রহু পাক সেনা নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে টিকতে না পেরে পাসেনারা যকন পালিয়ে যাচ্ছিলো তখন হাঁটুভাঙ্গার জনগণ এমনকি মহিলারাও সেদিন যার যা কিছু আছে তা দিয়ে পিটিয়ে বাকুপিয়ে মক্রসেনাদের হত্যা করেছে । আমাদের মুক্তিসেনাদেরও কিছু সাহসী তরম্নণসহ নিরীহ মা, বোন , দেশের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে শহীদ হয়েছেন । স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ে বেশীর ভাগ মুক্তিযোদ্ধাই শহীদ হয়েছেন পাকসেনাদের সহযোগী দালাল ও রাজাকাদের হাতে।তৎকালীন রায়পুরা থানা মুক্তিযুদ্ধের র্সবাধিনায়ক আলহাজ্ব আলী মাস্টারের সাথে এ ব্যাপারে আলাপ করলে তিনি বললেন , আমার মাস্টারি জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ইতিহাস হলো এইমুক্তিসংগ্রাম । মুক্তিযুদ্ধের কথা মনে হলেই আমার মন দুঃক ভারাক্রান্ত হয়ে উঠে । আজ আমি নিজেকে বড় অপরাধী মনে করি । কারণ , আমি আমার প্রিয় ছাত্রদেরকে তাদের বাবা মায়ের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধে নিয়ে গিয়েছিলাম , দেশ স্বাধীন হলে তাদের বাবা মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেবে বলে কিন্তু দুঃখের বিষয় , দেশ স্বাধীন হবার পর যখন কিছু বাবা ও মা আমার কাছে এসে বললেন , ‘মাস্টাসাব আপনে আইছেন আমার ছেলে কই ? কবে আইব ।’ তখন আমি তাদের কোন জবাব দিতে পারিনি । আমার মনে হচ্ছিলো , আমি সবচেয়ে অপরাধী , আমি সবার চেয়ে বেঈমান ।সারা জীবন অনুশোচনা করলেও আমার প্রায়শ্চিত্ত হবে না । আজ যকন দেখি স্বাধীনতার ২৮ বছর পর যারা জীবন দিয়ে গেল ; তাদের মা, বাবা, ভাই , বোন , ছেলে , মেয়ে ভাত ওকাপড়ের অভাবে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে , তখন আমি ঠিক থাকতে পারিনা ।ইচ্ছা করে আর একটা মুক্তিযুদ্ধ করি । এরজন্যই কি সেদিন মুক্তিসংগ্রাম করেছিলাম? সেদিন ভেবেছিলাম ; দেশ স্বাধীন হলে , মানুষ পাকিসত্মানিদের হাত থেকে মুক্তিপাবে , মানুষ তাদের রাজনৈতিক মুক্তি পাবে । গণতান্ত্রিক মুক্তি পাবে , কিন্তু কই !আজ ও মানুষ না খেয়ে মরছে । মা, বোন , ভাতের অভাবে পথে ঘাটে ইজ্জত বিক্রি করছে; যে শিশুর লেখাপড়া করার কথা , সে শিশু ভাতের অভাবে জলের দামে শ্রম দিচ্ছে । মানুষ তার গণতামিক অধিকার হারচচ্ছে। একদিকে নগণ্য মানুষ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে অন্যদিকে গরিষ্ঠ সংখ্যক মানুষ দিন দিন ভূমিহীন হচ্ছে।আজ দেশবাসীর কাছে আমার প্রশ্ন , এই অবস্থার কি পরিবর্তন আসবে না।


Courtesy By
( মোঃ মেহেদী হাসান ) ™


রায়পুরার সাংগঠনিক কাঠামো

রায়পুরার সাংগঠনিক কাঠামো ঃঃঃঃঃ

• আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক
o থানা
o আনসার ও ভিডিপি
o ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স
o গ্রাম পুলিশ 

• স্বাস্থ্য বিষয়ক
o স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
o পরিবার পরিকল্পনা অফিস
o হাসপাতাল/স্বাস্থ্য কেন্দ্রের তালিকা

• কৃষি ও খাদ্য বিষয়ক
o কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়
o মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়
o খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়

• ভূমি বিষয়ক
o উপজেলা ভূমি অফিস
o উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিস

• প্রকৌশল ও যোগাযোগ
o উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়
o উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল
o উপ সহকারী প্রকৌশলী, শিক্ষা প্রকৌশল

• মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক
o উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়
o উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়
o যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়
o সমবায় অফিস

• শিক্ষা বিষয়ক
o উপজেলা শিক্ষা অফিস
o উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস
o উপজেলা রিসোর্স সেন্টার

• অন্যান্য
o সাব রেজিস্ট্রারের কার্যালয়
o পরিসংখ্যান অফিস
o উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস
o উপজেলা নির্বাচন অফিস
o নির্বাচন অফিস

রায়পুরাতে সরকারী অফিসসমূহ

রায়পুরাতে সরকারী অফিসসমূহ ঃ----

• জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর 
• উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় 
• উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় 
• উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় 
• উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয় 
• উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় 
• থানা 
• আনসার ও ভিডিপি 
• উপজেলা ভূমি অফিস
• সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়
• নির্বাচন অফিস
• উপজেলা সার্ভার ষ্টেশন/উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়
• উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস
• উপজেলা সমবায় কার্যালয
• যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়
• উপজেলা শিক্ষা অফিস
• উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়
• উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়
• উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়
• উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়
• ভূমি অফিস
• হিসাব রক্ষণ অফিস
• নির্বাচন অফিস
• ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স
• উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়
• রিসোর্স সেন্টার
• স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
• জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল
• সমবায় অফিস
• থানা
• উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা
• মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা
• পরিবার পরিকল্পনা অফিস
• সাব রেজিস্ট্রার
• সাব রেজিস্ট্রার
• শিক্ষা অফিস
• বিআরডিবি
• প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা
• সার্ভার স্টেশন
• মাধ্যমিক শিক্ষা
• খাদ্য নিয়ন্ত্রক
• মৎস্য অফিস
• আনসার ও ভিডিপি

একনজরে রায়পুরা পৌরসভার তথ্যাদি +ওয়ার্ডসমূহ :-----

রায়পুরা পৌরসভা কার্যালয়
রায়পুরা, নরসিংদী।


১। রায়পুরা পৌরসভার গঠন/ঘোষণা ঃ ১০ ফেব্রুয়ারী/২০০৫ইং
২। পৌরসভার ১ম নির্বাচন ঃ ০৯/০৫/২০০৬ ইং
৩। পৌরসভার সর্বশেষ নির্বাচন ঃ ১২/০৬/২০১১ইং
৪। পৌরসভার আয়তন ঃ ৭.২৫ বর্গ কিলো মিটার
৫। লোক সংখ্যা ঃ ৫০,০০০ প্রায়
৬। হোল্ডিং সংখ্যা ঃ ৬,০০০ প্রায়
৭। ভোটার সংখ্যা ঃ ১৮,০০০ প্রায়
৮। ডিগ্রী কলেজ ঃ ০১টি
৯। উচ্চ বিদ্যালয় ঃ ০২টি
১০। উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ঃ ০১টি
১১। হাট ঃ ০১টি
১২। বাজার ঃ ০৫টি
১৩। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ঃ ০৮টি
১৪। কিন্ডার গার্ডেন স্কুল ঃ ০৫টি
১৫। রেল ষ্টেশন ঃ ০১টি
১৬। হাসপাতাল ঃ ০১টি
১৭। ক্লিনিক ঃ ০৭টি
১৮। পশু হাসপাতাল ঃ ০১টি
১৯। পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক ঃ ০১টি
২০। দাখিল মাদ্রাসা ঃ ০১টি
২১। মহিলা মাদ্রাসা ঃ ০২টি
২২। হাফিজিয়া মাদ্রাসা ঃ ০২টি
২৩। ভোকোশনাল ইনষ্টিউটিট ঃ ০১টি
২৪। পিটিআই ঃ ০১টি
২৫। সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস ঃ ০১টি
২৬। থানা ঃ ০১টি
২৭। ডাকঘর ঃ ০৩টি
২৮। প্রাইমারী বিদ্যালয় রির্সোস ইনষ্টিউটিট ঃ ০১টি
২৯। টেলিফোন একচেঞ্জ অফিস ঃ ০১টি
৩০। গ্যাস প্রান্সমিশন (ষ্টেশন) ঃ ০১টি
৩১। মন্দির ঃ ০৪টি
৩২। পুকুর ঃ ২০টি
৩৩। পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস ঃ ০১টি
৩৪। কবর স্থান ঃ ০৮টি
৩৫। ব্যাংকঃ-
(ক) সোনালী ব্যাংক লিঃ ঃ ০১টি
(খ) জনতা ব্যাংক লিঃ ঃ ০১টি
(গ) কৃষি ব্যাংক ঃ ০১টি
(ঘ) গ্রামীণ ব্যাংক ঃ ০১টি
(ঙ) ব্রাক ব্যাংক ঃ ০১টি
৩৬। খাদ্য গুদাম ঃ ০৪টি
৩৭। গ্রাম ঃ ২৩টি
৩৮। সিনেমা হলঃ ০১টি
৩৯। ছ মিল ঃ ১১টি
৪০। ডাক বাংলা ঃ ০১টি
৪১। ইউনিয়ন পরিষদ অফিস ঃ ০৪টি
৪২। ব্রীজ ঃ ০৪টি
৪৩। রেলওয়ে ব্রীজ ঃ ০১টি
৪৪। বক্স কালভার্ট ঃ ০৪টি
৪৫। মোবাইল টাওয়ার ঃ ০৭টি
৪৬। এনজিও প্রতিষ্ঠানঃ-
(ক) প্রশিক্ষা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র ঃ ০১টি
(খ) আশা ঃ ০১টি
(গ) ঢাকা আহছানিয়া মিশন ঃ ০১টি
(ঘ) আর্ড ঃ ০১টি
৪৭। দারিদ্র বিমোচন কেন্দ্র ঃ ০১টি
৪৮। মসজিদ ঃ ৩২টি
৪৯। রেল লাইন ঃ ০২ কিলো মিটার
৫০। বিদ্যুৎ সাব কেন্দ্র ঃ ০১টি
৫১। উপজেলা ঃ ০১টি
৫২। খেলার মাঠ ঃ ০৩টি
৫৩। মঠ ঃ ০৪টি


ওয়ার্ডসমূহ :-----

রায়পুরা পৌরসভা কার্যালয়
রায়পুরা, নরসিংদী।

রায়পুরা পৌরসভার ওয়ার্ড ভিত্তিক গ্রাম/মহল্লার নামের তালিকা ঃ-

ক্রঃ নং ওয়ার্ড নং গ্রামের নাম মন্তব্য
০১ ০১ পশ্চিমপাড়া, পূর্বপাড়া ও বটতলীহাটি
০২ ০২ থানাহাটি, রামনগরহাটি ও দলিনগর 
০৩ ০৩ তাত্তাকান্দা, কান্দাপাড়া ও টেকপাড়া
০৪ ০৪ কুড়েরপাড়, হাসিমপুর ও কলাবাড়িয়া
০৫ ০৫ বৈকন্ঠপুর ও দড়িহাটি
০৬ ০৬ শ্রীরামপুর পূর্বপাড়া, মহিষমারা ও হরিপুর
০৭ ০৭ শ্রীরামপুর দক্ষিণপাড়া ও মেরাতলী
০৮ ০৮ শ্রীরামপুর উত্তরপাড়া ও রাজনগর
০৯ ০৯ ১। তুলাতলী গ্রাম (উত্তর-পশ্চিম ঘটক আঃ হাই এর বাড়ী, দক্ষিণ-পশ্চিমে তুলাতলী কবরস্থান, উত্তরে-রায়পুরা-বারৈচা রাস্তায় তুলাতলী ব্রীজ, দক্ষিণে সম্পূর্ণ গ্রাম)।
২। মেথিকান্দা গ্রাম (দক্ষিণ-পশ্চিমে মমতাজ উদ্দিনের বাড়ী, উত্তর-পশ্চিমে গিয়াস উদ্দিনের বাড়ী ও হাজী রমিজউদ্দিনের ভিটি থেকে মেথিকান্দা ডিসিআর রাস্তায় মেথিকান্দা মৌজার শেষ সীমানার ব্রীজ পর্যন্ত)।



Courtesy By
( মোঃ মেহেদী হাসান ) ™

রায়পুরা’র ইউনিয়ন সমূহের তালিকা.........

ক্রমিক নং ইউনিয়নের নাম (বাংলায়) ইউনিয়নের নাম (ইংরেজীতে)
১। রায়পুরা Chanderkandi
২। চান্দের কান্দি Olipura
৩। অলিপুরা Raipura
৪। রাধানগর Radhanagor
৫। মির্জাপুর Mirjapur
৬। চর-আড়ালিয়া Char Aralia
৭। আমিরগঞ্জ Amirgonj
৮। শ্রীনগর Sreenagar
৯। পাড়াতলী Paratoly
১০। চাঁনপুর Chanpur
১১। হাইরমারা Hairmara
১২। চরসুবুদ্দি Charsobuddi
১৩। নিলক্ষ্যা Nilakshya
১৪। মির্জানগর Mirjanagar
১৫। পলাশতলী Polastoly
১৬। আদিয়াবাদ Adiabad
১৭। ডৌকারচর DawkarChar
১৮। মরজাল Morjal
১৯। উত্তরবাখরনগর UttarBakharNagar
২০। চরমধুয়া Charmodhua
২১। মুছাপুর Musapur
২২। মহেশপুর Moheshpur
২৩। মির্জারচর MirjarChar
২৪। বাঁশগাড়ী Bashgari


Courtesy By
( মোঃ মেহেদী হাসান ) ™